মানিকগঞ্জ জেলায় শীতের প্রভাব ক্রমেই স্পষ্ট হচ্ছে। ভোর ও সকালের দিকে ঠান্ডার অনুভূতি বেশি থাকছে। কোথাও কোথাও হালকা কুয়াশা দেখা যাচ্ছে, আবার কিছু এলাকায় আকাশ পরিষ্কার থাকায় দিনের বেলায় মৃদু রোদের দেখা মিলছে। রাত ও ভোরে তাপমাত্রা কমে যাওয়ায় জনজীবনে শীতের প্রভাব বাড়ছে।


উপজেলা ভিত্তিক তাপমাত্রা ও আবহাওয়ার অবস্থা

উপজেলা তাপমাত্রা (ডিগ্রি সেলসিয়াস) আকাশের অবস্থা আর্দ্রতা (শতাংশ)
মানিকগঞ্জ সদর ২১ আংশিক মেঘলা ৭৮
সাটুরিয়া ২২ হালকা কুয়াশা ৭৩
ঘিওর ২২ আংশিক মেঘলা ৬৬
দৌলতপুর ১৮ পরিষ্কার আকাশ ৭০
শিবালয় ১৯ আংশিক মেঘলা ৯০
হরিরামপুর ১৬ আংশিক মেঘলা ৮১
সিংগাইর ১৭ পরিষ্কার আকাশ ৯০

কুয়াশা ও ঠান্ডার সামগ্রিক চিত্র

সাটুরিয়া উপজেলায় ভোরের দিকে হালকা কুয়াশা লক্ষ্য করা গেছে। হরিরামপুর ও সিংগাইরে তাপমাত্রা তুলনামূলক কম থাকায় শীতের অনুভূতি বেশি। শিবালয় ও সিংগাইরে আর্দ্রতা বেশি থাকায় সকাল পর্যন্ত ঠান্ডা ভাব স্থায়ী হচ্ছে। দিনের বেলায় সূর্যের আলো পাওয়া গেলে তাপমাত্রা কিছুটা বাড়ছে।


কৃষি ও গ্রামীণ জীবনে প্রভাব

শীতের কারণে বোরো ধানের ক্ষেতে সকালের কুয়াশা কিছুটা উপকারী হলেও দীর্ঘস্থায়ী হলে রোগের ঝুঁকি বাড়তে পারে। শীতকালীন সবজি চাষে সকালের কুয়াশা ও বেশি আর্দ্রতার দিকে নজর দেওয়া প্রয়োজন। গ্রামীণ এলাকায় সকালবেলায় কাজ করা মানুষেরা বেশি শীত অনুভব করছেন।


স্বাস্থ্য ও চলাচল বিষয়ক সতর্কতা

ভোর ও রাতে গরম কাপড় ব্যবহার করা জরুরি। শিশু, বয়স্ক এবং অসুস্থদের ঠান্ডা বাতাস থেকে দূরে রাখার পরামর্শ দেওয়া হচ্ছে। কুয়াশার সময় সড়কে যান চলাচলের ক্ষেত্রে ধীরগতিতে চলা ও সতর্ক থাকার প্রয়োজন রয়েছে।


সারসংক্ষেপ

মানিকগঞ্জ জেলার সব উপজেলায় শীতের প্রভাব ধীরে ধীরে বাড়ছে। দিনের বেলায় আবহাওয়া সহনীয় থাকলেও রাত ও ভোরে ঠান্ডা বেশি অনুভূত হচ্ছে। এই পরিস্থিতি আগামী কয়েকদিন অব্যাহত থাকতে পারে।